Wednesday, January 18, 2012

Imam Khomeini (R.A.) listed several reasons why Islamic government is necessary

Imam Khomeini (R.A.) listed several reasons why Islamic government is necessary:

-To prevent "encroachment by oppressive ruling classes on the rights of the weak," and plundering and corrupting the people for the sake of "pleasure and material interest," (p. 54)

-To prevent "innovation" in Islamic law "and the approval of the anti-Islamic laws by sham parliaments," (p. 54) and so
-To preserve "the Islamic order" and keep all individuals on "the just path of Islam without any deviation," (p. 54) "it is because the just fuqaha have not had executive power in the land inhabited by Muslims ... that Islam has declined." (p. 80)
-And to destroy "the influence of foreign powers in the Islamic lands" (p. 54),[10]

In its operation, Islamic government is superior to non-Islamic government in many ways. (Though Islamic government is to be universal, and Khomeini sometimes compares it to (allegedly) un-Islamic governments in general throughout the Muslim world, more often he contrasts it specifically with the Shah's government in Iran—though he doesn't mention him by name.)

Non-Islamic government
  • is mired in red tape thanks to "superfluous bureaucracies," (p. 58),
  • suffers from "reckless spending", and "constant embezzlement," in the case of Iran, forcing it to "request aid or a loan from" abroad and hence "to bow in submission before America and Britain," (p. 58)
  • has excessively harsh punishments, (p. 33)
  • creates an "unjust economic order" which divides the people "into two groups: oppressors and oppressed," (p. 49),
  • though it may be made up of elected representatives does not "truly belong to the people" in the case of Muslim countries. (p. 56)

Imam Khomeini (R.A.) spends a large part of his book explaining why Islamic government had not yet been established, despite the fact that the need for governance of the faqih is obvious to "anyone who has some general awareness of the beliefs and ordinances of Islam." (p. 27)

The "historical roots" of the opposition are Western unbelievers who want
to keep us backward, to keep us in our present miserable state so they can exploit our riches, our underground wealth, our lands and our human resources. They want us to remain afflicted and wretched, and our poor to be trapped in their misery ... they and their agents wish to go on living in huge palaces and enjoying lives of abominable luxury. (p.34)
"Foreign experts have studied our country and have discovered all our mineral reserves -- gold, copper, petroleum, and so on. They have also made an assessment of our people’s intelligence and come to the conclusion that the only barrier blocking their way are Islam and the religious leadership." (p.139-40)
These Westerners "have known the power of Islam themselves for it once ruled part of Europe, and ... know that true Islam is opposed to their activities."(p. 140) Making people think that "Islam has laid down no laws for the practice of usury, for banking on the basis of usury, for the consumption of alcohol, or for the cultivation of sexual vice" and wishing "to promote these vices in the Islamic world", (p. 31-2) Westerns have set about deceiving Muslims, using their "agents" to telling them that "that Islam consists of a few ordinances concerning menstruation and parturition." (p. 29-30)

The enemies of Islam target the vulnerable young: "The agents of imperialism are busy in every corner of the Islamic world drawing our youth away from us with their evil propaganda." (p. 127)

This imperialist attack on Islam is not some ad hoc tactic to assist the imperial pursuit of power or profit, but an elaborate, 300-year-long plan.
The British imperialists penetrated the countries of the East more than 300 years ago. Being knowledgeable about all aspects of these countries, they drew up elaborate plans for assuming control of them. (p.139, also p.27-28, p.34, p.38).

Tuesday, January 17, 2012

প্রেমের শরাব -আসাদুল্লাহ গালীব

তোমার জায়নামাজকে রঞ্জিত কর প্রেমের শারাবে,
তখন বুঝবে কাকে বলে প্রজ্ঞা, কাকে বলে ধ্যান।

মনের অলিগলি পুথি ও পুস্তকে ঠেসে নিয়ে তুমি হয়ে গেছ
বুদ্ধিবৃত্তির বলদ তাত্বিক স্কেভেঞ্জার;
মনের আকাশ রাখনি একটুও খোলা
যাতে জমতে পারে সজল মেঘের ছায়া,
স্নিগ্ধ জোৎস্না আর সূর্যের মায়া।

সমস্ত হৃদয় ও মনের আকাশ
পুথির অন্ধ অক্ষরের কাফনে ঢেকে ফেলে
হয়ে গেছে প্রাণহীন জিন্দা লাশ,
হৃদয়বৃত্তি ও প্রজ্ঞার সাথে সম্পর্কহীন জিহ্বা
উগরে দিচ্ছে পন্ডিতস্মন্ন্য কথার বিবমিষা,
যা বলছে তা হলকুমের নীচ পর্যন্ত পৌছেনি।

কথার ফুলঝুরি -আসাদুল্লাহ গালীব

মুর্খতা বা তথাকথিত বিজ্ঞতার
একটি সীমা সরহদ থাকা দরকার।

সে দিন পন্ডিতস্মন্য একজন
অনর্থক লিপ্ত হয়ে বেহুদা বাহাসে
বললেন আমায়
আমার নাকি আছে কিছু গোলমাল
আকিদা বিশ্বাসে।

মুসকিল হয়েছে এসব তরুন তুর্কিদের নিয়ে
একীন-আমলের চেয়ে এরা বেশী ব্যস্তবাগীস
কথার ফুলঝুরিতে।

মানব অস্তিত্বের নিন্মতম স্তর থেকে উর্দ্ধতম স্তর পর্যন্ত ৬ ভাগে বিভক্ত - অধ্যাপক ফরীদ উদ্দীন খান

অধ্যাপক ফরীদ উদ্দিন খান সাহেব প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ইবনুল আরাবী এবং মোল্লাহ ছাদরার গবেষণার ভিত্তিতে মানব অস্তিত্বের নিন্মতম স্তর থেকে উর্দ্ধতম স্তর পর্যন্ত বিন্যাসকে ৬ ভাগে ভাগ করেছেনঃ-

সর্বোচ্চ ৬ষ্ঠ স্তর - আলমে আরোয়াহা (রূহের জগত / আকলের জগত)
৫ম স্তর - আলমে মালায়েকা (নূরের জগত)
৪র্থ স্তর - আলমে ওয়াহাম (জ্বীনের সর্বোচ্চ স্তর / কল্পনার জগত)
৩য় স্তর - আলমে হাইওয়ান (প্রানী জগত / পশু জগত)
২য় স্তর - আলমে নাবাত (ভেষজ জগত / বনজ জগত/ বৃক্ষ-লতা-পাতার জগত)
প্রাথমিক ১ম স্তর - আলমে উনসুর / আলমে মাদ্দা (জড় জগত / মাটি-খণিজ পদার্থ)

নবী করীম (দঃ)-এর জীবদ্দশায় একজন কাতেবে অহী সাহাবী মুরতাদ হয়ে যায় - সহিহ আল বুখারী, কিতাবুল আম্বিয়া, হাদীছ নং-৩৩৪৯।

নবী করীম (দঃ)-এর জীবদ্দশায় একজন কাতেবে অহী সাহাবী মুরতাদ হয়ে যায়ঃ-

সহিহ আল বুখারী, কিতাবুল আম্বিয়া, হাদীছ নং-৩৩৪৯।

আনাস (রাঃ) বলেন, একজন লোক প্রথমে খৃষ্টান ছিল। পরে সে ইসলাম গ্রহন করে সুরা আল-বাকারা ও সুরা আলে-ইমরান পড়ে শেষ করল এবং নবী (সঃ) এর নির্দেশক্রমে (অহী) লিখতে শুরু করল (অর্থাৎ অহী লেখক নিযুক্ত হল)। তারপর সে [নবী (সঃ)-এর নিকট থেকে পালিয়ে গিয়ে] আবার খৃষ্টান হয়ে গেল এবং বলতে লাগল, "আমি মুহাম্মদকে যা লিখে দিতাম তা ছাড়া আর কিছুই সে জানেনা"। তারপর আল্লাহ তাকে মৃত্যুমুখে পতিত করলে খৃষ্টানরা তাকে কবরস্থ করল। কিন্তু পরদিন সকাল বেলা দেখা গেল, ভূ-গর্ভ তাকে বাইরে ছুড়ে ফেলেছে। তখন খৃষ্টানরা বলল, "এটা মুহাম্মদ ও তার সহচরদের কাজ। আমাদের এ লোকটি যেহেতু তার কাছ থেকে পালিয়ে এসেছিল তাই তারা এর কবর খুঁড়ে একে বাইরে ফেলে গিয়েছে।" অতঃপর তারা তার জন্য আরার কবর খুঁড়ল এবং যতটা সম্ভব তা গভীর করল। পরদিন সকালে আবার দেখা গেল যে, ভূ-গর্ভ তাকে বাইরে ছুঁড়ে ফেলেছে। এবারও খৃষ্টানরা বলল, "এটা মুহাম্মদ ও তার সহচরদের কাজ। আমাদের এ লোকটি যেহাতু তার কাছ থেকে পালিয়ে এসেছিল তাই তারা এর কবর খুঁড়ে একে বাইরে ফেলে গিয়েছে।" অনন্তর তারা তার জন্য আবার কবর খুঁড়ল এবং যতদূর সম্ভব কবরটি গভীর করল। কিন্তু পরদিন দেখা গেল যে ভূ-গর্ভ তাকে বাইরে নিক্ষেপ করেছে। তখন তারা বুঝতে পারল যে, এটা কোন মানুষের কান্ড নয়। তাই তারা তাকে ওভাবেই ফেলে রাখল।
-সহিহ আল বুখারী, ৩য় খন্ড, কিতাবুল আম্বিয়া, হাদীছ নং-৩৩৪৯।


নবী করীম (দঃ)-এর ইন্তেকালের পর কিছু সাহাবী মুরতাদ হবে বলে ভবিষ্যদ্বানীঃ-

সহিহ আল বুখারী, কিতাবুল আম্বিয়া, হাদীছ নং-৩১০১।

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (সঃ) বলেছেন, নিশ্চয় তোমাদেরকে হাশর ময়দানে নগ্ন পা, উলংগ-দেহ এবং খতনা বিহীন অবস্থায় হাযির করা হবে। অতঃপর তিনি এই আয়াতটি তেলাওয়াত করলেনঃ "আমি প্রথমে যেভাবে সৃষ্টি করেছিলাম, সে ভাবেই পুনরায় সৃষ্টি করব। এটি আমার অটল ওয়াদা, আমার উপর অপরিহার্য। আমি তা করবই।" আর কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যাঁকে কাপড় পরান হবে তিনি হবেন ইবরাহীম (আঃ)। আর (সেদিন) আমার আসহাবগনের কয়েকজন লোককে পাকড়াও করে বাম দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, আমার আসহাব আমার আসহাব। এ সময় আল্লাহ তা'লা বলবেন, যখন আপনি তাদের থেকে চির বিদায় নেন, তখন এরা মুরতাদ হয়ে যায়। তখন আমি বলব, যেমন বলেছিলেন [আল্লাহর প্রিয় নেক বান্দাহ ঈসা (আঃ)] হে আল্লাহ আমি যতদিন তাদের মাঝে বর্তমান ছিলাম, ততদিন আমি তাদের অবস্থার পর্যবেক্ষণকারী ছিলাম। যখন আপনি আমাকে উঠিয়ে নিলেন, তখন আপনিই ছিলেন তাদের অবস্থা প্রত্যক্ষকারী। আপনি তো সব কিছুর উপর প্রত্যক্ষদর্শী। যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি দেন, (তা দিতে পারেন) কেননা, এরা আপনা্রই গোলাম। আর যদি তাদেরকে ক্ষমা করেন, (তা ও করতে পারেন)। কারণ, আপনি মহা ক্ষমতাবান এবং প্রজ্ঞার অধিকারী। -সহিহ আল বুখারী, ৩য় খন্ড, কিতাবুল আম্বিয়া, হাদীছ নং-৩১০১।